1. rajoirnews@gmail.com : ABDUL AZIZ : ABDUL AZIZ
  2. gopalganjbarta@gmail.com : ashik Rahman : ashik Rahman
  3. news.coxsbazarvoice@gmail.com : ABDUL AZIZ : ABDUL AZIZ
  4. jmitsolutionbd@gmail.com : jmmasud :
‘কবুতর’ দিয়ে পুলিশের নামে চাঁদা আদায়! - Coxsbazar Voice
শনিবার, ১৯ জুন ২০২১, ০৬:০১ অপরাহ্ন
দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

‘কবুতর’ দিয়ে পুলিশের নামে চাঁদা আদায়!

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ১১ জুন, ২০২১, ১০.৪৮ এএম
  • ৯৫ জন সংবাদটি পড়েছেন।
শান্তির প্রতীক কবুতর (পায়রা) লগো দিয়ে সোনার পাড়ায় পুলিশের নামে চাঁদা আদায়ের টোকেন

জিকির উল্লাহ জিকু:

প্রতি সিএনজি থেকে নেয়া হয় ৩০০ টাকা

উখিয়ার সোনারপাড়ায় টোকেনে ‘কবুতর’(পায়রা) দিয়ে পুলিশের নামে চাঁদা আদায় করছে পরিবহণ নেতার পরিচয়ে দুই ব্যক্তি। যেটি ড্রাইভারদের জন্য বিশেষ পাশ বলে গণ্য করা হয়। স্থানীয় সিএনজি সমিতির ব্যানারে পুলিশকে দেয়ার অজুহাত দেখিয়ে এসব টাকা আদায় করা হচ্ছে। অথচ  পুলিশের অজান্তে।প্রতি সিএনজি থেকে ৩০০ টাকা করে প্রতিমাসে চাঁদার পরিমাণ লাখ টাকা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। করোনার এই দু:সময়ে এসব টাকা দিতে না পারলে সিএনজি চালক ও মালিকদের মামলাসহ বিভিন্নভাবে হুমকি দেয়া হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, উখিয়ার সোনারপাড়া সিএনজি সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোস্তফা ও লাইনম্যান জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে উখিয়া থানার পুলিশকে টাকা দেয়ার নাম করে প্রতিমাসে লাখ টাকা উত্তোলন করছে। অথচ উত্তোলনকৃত টাকা গুলো পুলিশ বা অন্য কোন খাতে ব্যবহৃত হচ্ছে সে হিসাব চাওয়ার মত কেউ সাহস করছে না। প্রতি মাসের শুরুতে প্রতি সিএনজি থেকে ৩০০-৩৫০টাকা করে আদায় করছে টোকেনের মাধ্যমে। এভাবে প্রতিমাসে লাখ টাকার উপরে চাঁদা উঠানো হচ্ছে।

পুলিশের নামে চাঁদা নেয়ার বিষয়টি আমার জানা নেই। কারও কাছ থেকে কোন প্রকার চাঁদা উত্তোলনের ব্যাপারে কাউকে বলা হয়নি। এব্যাপারে কেউ প্রমাণ দিতে পারলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। মো: সন্জুর মোরশেদ,ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা,উখিয়া থানা,কক্সবাজার

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সিএনজি চালক ও মালিক জানিয়েছেন, গত বছর কক্সবাজার জেলা পুলিশের সকল সদস্য একযোগে বদলির পর নতুন করে পুলিশ যোগদান করার পর থেকে পুরো জেলায় সব পরিবহন খাত থেকে শুরু করে কোন ধরণের চাঁদা আদায় বন্ধের জন্য জেলা পুলিশ সুপার মো: হাসানুজ্জামান নির্দেশ দেন। সেই থেকে এখনো পর্যন্ত ট্রাফিক ও থানা পুলিশকে কোন চাঁদা দিতে হয়নি। কিন্তু, উখিয়ার সোনারপাড়া সিএনজি সমিতি এর ব্যতিক্রম। পুলিশের নাম দিয়ে সেই পুরনো প্রথা চালু রেখে প্রতিদিন চাঁদার জন্য গাড়ি আটকে দিচ্ছে। এতে করে সিএনজি সমিতির কাছে মালিক/চালকরা অসহায় হয়ে পড়ছে। সময় মতো চাঁদা দিতে না পারলে সড়কে গাড়ী না বের করতে হুমকি, ধমকি দিচ্ছে। এমনকি মারধরও করছে বলে জানান সিএনজি চালকরা। চালকরা চাঁদার রশিদ চাইলে নামে মাত্র সাধারণ কাগজে নানা প্রকার সীল ও স্বাক্ষর দিয়ে টোকেন ধরিয়ে দিচ্ছে। এসব ঠোকেন দেখালে পুলিশও কোন অবৈধ গাড়ী জব্দ করবে না বলে সমিতির পক্ষ থেকে জানিয়ে দেয়া হচ্ছে। এসব টোকেনের কয়েকটি এ প্রতিবেদকের হাতে পৌঁছেছে।

এব্যাপারে সোনারপাড়া সিএনজি সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোস্তফার কাছে জানতে চাইলে তিনি চাঁদা আদায়ের অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, টেকনাফে সেনাবাহিনীর সাবেক মেজর সিনহা হত্যাকান্ডের আগে ট্রাফিক পুলিশের জন্য সিএনজি থেকে টাকা উত্তোলন করা হত। এখন এসব চাঁদা উঠানো হয়নি। কে বা কারা উত্তোলন করছে আমার জানা নেই।

সোনারপাড়া সিএনজি সমিতি কর্তৃক মনোনিত লাইনম্যান জাহাঙ্গীর আলম জানান, ‘ সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নির্দেশে চাঁদা উঠানো হচ্ছে। এসব চাঁদা কার জন্য উঠানো হচ্ছে আমি জানি না। টাকা গুলো উত্তোলন করেই সাধারণ সম্পাদকের কাছে জমা দেয়া হচ্ছে’।

বিষয়টি জানতে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: সন্জুর মোরশেদ জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই। কারও কাছ থেকে কোন প্রকার চাঁদা উত্তোলনের ব্যাপারে কাউকে বলা হয়নি। এব্যাপারে কেউ প্রমাণ দিতে পারলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ভয়েস/জেইউ।

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2020
Design & Developed by : JM IT SOLUTION