1. rajoirnews@gmail.com : ABDUL AZIZ : ABDUL AZIZ
  2. gopalganjbarta@gmail.com : ashik Rahman : ashik Rahman
  3. news.coxsbazarvoice@gmail.com : ABDUL AZIZ : ABDUL AZIZ
  4. jmitsolutionbd@gmail.com : jmmasud :
লকডাউন:দুর্ভোগ কেবল গাড়িতে - Coxsbazar Voice
বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১, ০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন
দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

লকডাউন:দুর্ভোগ কেবল গাড়িতে

  • প্রকাশিত : বুধবার, ৭ এপ্রিল, ২০২১, ১১.৪৩ এএম
  • ৫৫ জন সংবাদটি পড়েছেন।

ভয়েস নিউজ ডেস্ক:

মানুষের চলাচল বেড়েছে স্বাস্থ্যবিধি মানায় গা ছাড়া ভাব

আনিসুল ইসলাম একটি বেসরকারি ব্যাংকের পিয়ন। গ্রামের বাড়ি পটিয়ার জিরি থেকে আগ্রাবাদে কর্মস্থলে আসেন। লকডাউনে গত দুদিনে ভোগান্তির শিকার হয়েছেন তিনি। গতকাল মঙ্গলবার অফিসে আসার সময় সকাল ৯টায় নতুন ব্রিজ এলাকায় কথা হয় তার সাথে। তিনি বলেন, শান্তিরহাট থেকে স্বাভাবিক সময়ে ১০ টাকা ভাড়ায় বাসে নতুন ব্রিজ আসতাম। আজ ৫০ টাকা দিয়ে পিকআপে করে এসেছি। সোমবার মিনিবাসে ৩০ টাকা ভাড়ায় এসেছিলাম। এখানে এসে সিএনজি ছাড়া কোনো গাড়ি পাচ্ছি না। অথচ অফিসের বসদের প্রাইভেট কার আছে। অন্য অফিসাররা মাইক্রো ভাড়া করে অফিসে আসা-যাওয়া করছেন। আমার মতো ছোট কর্মচারীরা বেশ কষ্টে পড়েছি। আগে বাড়ি থেকে অফিসে আসা-যাওয়ায় ৬০-৭০ টাকা খরচ হতো। সোমবার আড়াইশ টাকা খরচ হয়েছে।

শুধু আনিসুল ইসলাম নন, দক্ষিণ চট্টগ্রামের শত শত মানুষ বেশ কয়েকটি গাড়ি পাল্টে সকাল সকাল নগরে এসেছেন কর্মস্থলে যাওয়ার জন্য। কিন্তু স্বাভাবিক সময়ের মতো বাস-টেম্পো না থাকায় ঝামেলায় পড়তে হয় তাদের। এতে অবশ্য সুবিধা হয়েছে রিকশা, বাইকার ও সিএনজি টেক্সি চালকদের। স্বাভাবিক সময়ে ৫০ টাকায় নিউ মার্কেট এলেও লকডাউনের কারণে ৭০-৮০ টাকা ভাড়া আদায় করছেন রিকশাচালকরা। আবার অ্যাপসভিত্তিক মোটরবাইকে যেখানে ৫০-৬০ টাকা ভাড়া আসত সেখানে একশ টাকার কমে গন্তব্যে যাচ্ছেন না। একই অবস্থা সিএনজি চালকদের ক্ষেত্রেও। তবে অন্য সময়ের চেয়ে টেক্সির সংখ্যা কম ছিল।

নগরীর সব সড়কে সোমবারের চেয়ে গতকাল সকাল থেকে চলাচল বেড়েছে জনসাধারণের। অলি-গলিতে সব ধরনের দোকানই ছিল খোলা, দেখা গেছে কমবেশি ক্রেতা ও দর্শনার্থীদেরও। স্বাভাবিক সময়ের মতো অফিস, কলকারখানা খোলা থাকলেও লকডাউনের কারণে চলেনি বেশিরভাগ গণপরিবহন। বেশিরভাগ সড়ক ছিল প্রাইভেট গাড়ি ও রিকশার দখলে।

স্বাস্থ্যবিধি নিয়েও সাধারণের মাঝে ছিল গা ছাড়া ভাব। গণপরিবহন চলাচল স্বাভাবিক না থাকায় সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের শিকার হয়েছে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবীরা। তবে দুদিন দুর্ভোগের পর আজ বুধবার থেকে নগরীতে গণপরিবহন চলাচলের খবরে স্বস্তি ফিরেছে অফিস, কলকারখানাগামী মানুষের। গত বছরের ২৬ মার্চ লকডাউন ঘোষণার পর লোকজনের চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। গ্রামের লোকজন স্বউদ্যোগে গ্রামীণ জনপদের যাতায়াত নিয়ন্ত্রণ করেছিলেন। কিন্তু সময়ের সাথে চিত্র পাল্টেছে। এখন করোনার সংক্রমণ বাড়লেও মানুষের মাঝে তেমন আতংক নেই।
সোমবার লকডাউন শুরুর পর থেকে শুধু গণপরিবহন হিসেবে বাস, মিনিবাস, টেক্সি বন্ধ ছিল। তবে শিল্প কলকারখানার নামে কিছু পরিবহনের বাস চলাচল করেছে নগরীতে। গতকাল যানবাহন চলাচলের সংখ্যাও বেড়েছে। কোথাও কোথাও যানজটও ছিল। দিনের বিভিন্ন সময়ে নানা এলাকার সড়কে ছিল গাড়ির দীর্ঘ লাইন।

বিকালে অফিস ছুটি শেষে ভোগান্তিতে পড়েন অফিস মানুষ। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আগ্রাবাদ মোড়ে দেখা যায় অফিস ফেরত মানুষের জটলা। কেউ বহদ্দারহাট, কেউ নিউ মার্কেট যাবেন। কেউ যাবেন চান্দগাঁও আবাসিক কিংবা কাপ্তাই রাস্তার মাথা। কিন্তু গাড়ি নেই। মোড়ে ২০-৩০টি বাইক দাঁড়িয়ে আছে। বেশিরভাগ মানুষ কম বেতনের হওয়ায় বেশি ভাড়ার বাইকে চড়ছেন না। কিছু সময় পর একটি বাস এলে ওঠার জন্য সবাই হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন। ঠেলাঠেলি করে উঠছেন, মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। গাড়ি না পেয়ে স্বল্পদূরত্বের অনেকে হেঁটে গন্তব্যে গেছেন। অনেকে কিছুদূর হেঁটে পথে বাস দেখলে উঠে পড়েছেন। সুত্র: দৈনিক আজাদী।

ভয়েস/ জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2020
Design & Developed by : JM IT SOLUTION