1. rajoirnews@gmail.com : ABDUL AZIZ : ABDUL AZIZ
  2. gopalganjbarta@gmail.com : ashik Rahman : ashik Rahman
  3. news.coxsbazarvoice@gmail.com : ABDUL AZIZ : ABDUL AZIZ
  4. jmitsolutionbd@gmail.com : jmmasud :
বাজেট বাস্তবায়নে স্বচ্ছতার কৌশল খুঁজছে সরকার - Coxsbazar Voice
শনিবার, ১৯ জুন ২০২১, ০৬:৩৬ অপরাহ্ন
দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

বাজেট বাস্তবায়নে স্বচ্ছতার কৌশল খুঁজছে সরকার

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১০ জুন, ২০২১, ১০.৩০ এএম
  • ৩৬ জন সংবাদটি পড়েছেন।
বাজেট,ফাইল ছবি

ভয়েস নিউজ ডেস্ক:

প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবায়নে সরকার অর্থবছরের শুরুতেই মনোযোগ দেবে বলে জানা গেছে। জোরদার করবে মনিটরিংও। এ ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায়ে কিছু কৌশল নেবে অর্থ মন্ত্রণালয়। ইতোমধ্যেই সেই কৌশল খুঁজে বের করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে।

প্রতিটি ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ওপরও জোর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সম্প্রতি সরকারি কেনাকাটাসহ নানা প্রকল্পে অনিয়মের খবরে বিব্রত সরকার। আগামীতে এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে এবার কৌশলী হবেন নীতিনির্ধারকরা। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, অর্থবছরের শুরুতেই রাজস্ব আদায়ে মনোযোগী হবে অর্থ বিভাগ। লক্ষ্যমাত্রা পূরণে সচেষ্ট থাকবে অর্থ মন্ত্রণালয়। সেক্ষেত্রে রাজস্ব কর্মকর্তাদের সঙ্গে ঘন ঘন বৈঠক, মতবিনিময়, রাজস্ব আদায়ের অগ্রগতি ও সমস্যা জানার চেষ্টা করবে সংশ্লিষ্টরা। মানুষকে হয়রানি না করে রাজস্ব আদায়ে ইতোমধ্যেই মৌখিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

নতুন অর্থবছরে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৮৯ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে করের মাধ্যমে আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৩ লাখ ৪৬ হাজার কোটি টাকা। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা এবং এনবিআর বহির্ভূত কর নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬ হাজার কোটি টাকা। কর ছাড়া রাজস্ব প্রাপ্তি ধরা হয়েছে ৪৩ হাজার কোটি টাকা। বৈদেশিক অনুদান থেকে সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ৩ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা।

অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, করোনা পরিস্থিতিতে রাজস্ব আদায়ই বড় চ্যালেঞ্জ। বাজেট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী অবশ্য এই চ্যালেঞ্জকে উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন, সবাই এক হয়ে সরকারকে সহযোগিতা করলে এ বাজেট বাস্তবায়ন মোটেও অসম্ভব নয়।

ঘাটতি পূরণ বড় চ্যালেঞ্জ

নতুন বাজেটে ২ লাখ ১৪ হাজার ৬৮১ কোটি টাকার ঘাটতি পূরণ একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এক্ষেত্রে বৈদেশিক অনুদান পাওয়ার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ঘাটতি পূরণে বৈদেশিক অনুদান পাওয়ার লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে তিন হাজার ৪৯০ কোটি টাকা। এই অর্থপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে সরকারের উচ্চমহলও কাজ করবে বলে জানা গেছে।

বৈদেশিক অনুদান পাওয়ার ক্ষেত্রগুলোর সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগের মাধ্যমে সরকার সম্পর্ক উন্নয়নেও মনোযোগী হবে বলে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। ঘাটতি মেটানো সম্ভব না হলে বিনিয়োগ বাড়ানো যাবে না বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। নতুন বছরের ঘাটতি রেকর্ড পরিমাণ। যা জিডিপির ৬ দশমিক ২ শতাংশ।

ব্যবসায়ীরাই ভরসা

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রস্তাবিত নতুন বাজেটে গুরুত্বপূর্ণ আরেক চ্যালেঞ্জ কর্মসংস্থান। এর সমাধান না হলে সমাজে বড় বিপর্যয় নেমে আসতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সরকার মনে করে, মানুষের কাজের সুযোগ তৈরি হলে অস্থিরতা থাকবে না। এ ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের ওপরই নির্ভর করছে সরকার। সরকারি-বেসরকারি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে পারলে কাজের পথ সুগম হবে, নিশ্চিত হবে নতুন কর্মসংস্থান। এ জন্য এ বছর ব্যবসায়ীদের বিশাল সুযোগ দেওয়া হয়েছে। কমানো হয়েছে করপোরেট ট্যাক্সও। অর্থমন্ত্রীও ইঙ্গিত দিয়েছেন কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়ার। সব দিক বিবেচনা করে ব্যবসায়ীদেরকে খুশি রাখার চেষ্টা চলবে বছরজুড়েই।

যেকোনও মূল্যে টিকা

২০২১-২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের অপর চ্যালেঞ্জ করোনার টিকা। যেকোনও মূল্যে টিকা পেতে হবে বাংলাদেশকে। এর জন্য সরকারকে মরিয়া হওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের। সরকারও টিকা উৎপাদনকারী দেশ এবং সেদেশের সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে নিয়মিত। নতুন বছরে তা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি দেশেও টিকা উৎপাদনের দিকে নজর দেবে সরকার। সে ক্ষেত্রে উৎপাদনকারী কোম্পানিকে যত সুযোগ দেওয়া সম্ভব সবই দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

স্বাস্থ্যখাতের গবেষণাতেও নজর দেবে সরকার। চলতি বছরের বাজেটে গবেষণা খাতের বরাদ্দ ব্যবহৃত না হওয়াটাকে বিব্রতকর হিসেবে দেখছে সরকার। করোনা মোকাবিলায় আগামী বছরের জন্য বরাদ্দ করা ১০ হাজার কোটি টাকার সুষ্ঠু ব্যবহারেওনজর রাখবে অর্থ মন্ত্রণালয়, যাতে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন না ওঠে।

উল্লেখ্য, বিশ্বময় করোনা পরিস্থিতিতে ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটের আকার ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা। এটি মোট জিডিপির ১৭ দশমিক ৪৭ শতাংশ। ২০২০-২১ অর্থবছরের তুলনায় যা ৩৫ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা বেশি।

নতুন বাজেটে গুরুত্ব দেওয়া খাতগুলোর মধ্যে স্বাস্থ্য, খাদ্য নিরাপত্তা ও সামাজিক নিরাপত্তা অন্যতম। কোভিড-১৯ মোকাবিলায় টিকাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে ১০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল রাখা হয়েছে। ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটের তুলনায় যা প্রায় ৩০ শতাংশ বেশি।

নতুন বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি খাতে বরাদ্দ রাখা হচ্ছে ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা। নিম্ন আয়ের মানুষ জীবিকা নিয়ে চরম ভোগান্তিতে আছে। এসব বিবেচনায় এবার সামাজিক নিরাপত্তা খাতের বরাদ্দ গুরুত্ব পেয়েছে।

সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে অর্থনৈতিক সঙ্কট কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে সরকার। সে ক্ষেত্রে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীতে থাকা বিভিন্ন কর্মসূচির আওতায় সুবিধাভোগী জনগোষ্ঠীর প্রতি নজর রাখা হবে। এসব কর্মসূচিতে কোনও অনিয়ম সহ্য করা হবে না বলেও জানিয়েছে সরকার। এ জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে লিখিত নির্দেশনাও পাঠানো হবে বলে জানা গেছে।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেছেন, বাজেট বাস্তবায়নের শুরুতেই সকল নাগরিকের জন্য করোনার টিকা প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম জানিয়েছেন, বাজেটের ঘাটতি মেটাতে সতর্ক থাকতে হবে। এটা সম্ভব না হলে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান দুটোই বাধাগ্রস্ত হবে।

বাজেট বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জানিয়েছেন, এ বাজেট বাস্তবায়নযোগ্য। কর্মসংস্থানের বিষয়টিও নিশ্চিত করা হয়েছে। ব্যবসায়ীরাই কাজটি করবেন। বাজেট ঘাটতি পূরণও সমস্যা নয়। সূত্র:বাংলাট্রিবিউন।

ভয়েস/জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2020
Design & Developed by : JM IT SOLUTION