1. rajoirnews@gmail.com : ABDUL AZIZ : ABDUL AZIZ
  2. gopalganjbarta@gmail.com : ashik Rahman : ashik Rahman
  3. news.coxsbazarvoice@gmail.com : ABDUL AZIZ : ABDUL AZIZ
  4. jmitsolutionbd@gmail.com : jmmasud :
পিএম খালীতে গোপন সালিশে ধর্ষণের বিচার, ৪ ধর্ষকের ৪ লাখ টাকা জরিমানা - Coxsbazar Voice
বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১, ০৩:৫২ পূর্বাহ্ন
দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :

পিএম খালীতে গোপন সালিশে ধর্ষণের বিচার, ৪ ধর্ষকের ৪ লাখ টাকা জরিমানা

  • প্রকাশিত : শনিবার, ৩ জুলাই, ২০২১, ১০.৪৫ পিএম
  • ২৬৭ জন সংবাদটি পড়েছেন।
এম এ সাত্তার:
কক্সবাজার সদর পিএমখালী ইউনিয়নে ছনখোলা নয়া পাড়া এলাকায় এক মেয়েকে গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনা আপসের নামে গোপনে রফাদফা করেছেন ওয়ার্ড মেম্বার খালেদা আক্তার। ভিকটিমের অভিযোগের ভিত্তিতে ধর্ষকদের ৪ লক্ষ টাকা জরিমানা করে গণধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দেন একটি স্থানীয় বিচার বাণিজ্য সিন্ডিকেট।ধর্ষণের ঘটনাটি গত দুই সপ্তাহ আগের হলেও গোপন বৈঠক করে ধর্ষকদের ওই জরিমানা করার খবর জানাজানি হয়।
২৫ জুন শুক্রবার সর্বশেষ ছনখোলা ঘোনাপাড়া কেন্দ্রিক একটি দোকানে এই ধর্ষণের বিচার সম্পন্ন করা হয়েছে। সালিশে ৪ অভিযুক্তকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানার টাকা বিচার বাণিজ্য সিন্ডিকেটের স্থানীয় এক নেতার কাছে জমা দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ জুন বুধবার দিবাগত রাতে পিএমখালীর ২নং ওয়ার্ড ছনখোলা নয়াপাড়া এলাকার তরুণী মাহিয়া “১৯”(ছদ্মনাম) ৪ যুবক পরপর সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়। ওই ধর্ষণের সাথে জড়িতরা হচ্ছে, ১। গুইন্যার পুত্র হামিদ (২৮) ঘোনার পাড়া, ২। এরশাদ আলীর পুত্র ধলায়া (১৯), ৩/ মোহাম্মদ হোছনের পুত্র কালায়া(২০), ৪। অজ্ঞাত, সর্বসাং- ছনখোলা ঘোনাপাড়া পেইল্লাকাটা তোতকখালী।
এ ঘটনার পর থেকেই একটি মহল এটিকে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করে আসছিলো বলে জানা যায়। এ ধরনের জঘন্য ঘটনায় এভাবে দেশের প্রচলিত আইন-আদালতকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে গুরুতর অপরাধ ধামাচাপা দেওয়ায় এলাকায় চরম ক্ষোভ দেখা দিয়েছে বলে জানান এলাকাবাসী।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে অনেকে অভিযোগ করেন, ধর্ষণের শিকার মেয়েটি চরিত্রগত ভালো নয়। ওই মেয়ের ব্যাপারে স্থানীয় মানুষ যথেষ্ট সন্দিহান, সাথে বেকায়দায় রয়েছে। তদুপরি ধর্ষকেরা ধর্ষনের মতো জগন্য কাজ করে বড় ধরনের অন্যায় করেছে। এদের কারণে সমাজে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে, বৈকি। কিন্তু ইউপি সদস্য খালেদা আক্তার এবং অন্যান্য সালিশ কারক নামধারী সদস্যরা টাকার লোভে ঘটনাটি ধামাচাপা দেন। তারা ধর্ষক ও ইউপি সদস্যেসহ অন্যান্য অবৈধ সালিশ কারিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান প্রশাসনের প্রতি।
এ ব্যাপারে জানতে চেয়ে ধর্ষণের ঘটনাটি মিমাংসারা সালিশ বৈঠকে উপস্থিত থাকার কথা স্বীকার করে সমাজপতি হারুনুর রশিদ বলেন, অভিযোগকারী ও অভিযুক্ত ব্যক্তি দরিদ্র। তাই স্থানীয় সালিশ বৈঠকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করে ঘটনার মিমাংসা করা হয়েছে।
মেম্বার খালেদা আক্তার, গোলাপাড়ার মাহমুদুর করিম, তোতকখালীর নেজাম উদ্দিন বাবুল, লাল বাহাদুর, আঞ্জু আরা, ছনখোলা ঘোনাপাড়া এলাকার হারুনুর রশিদ, মেম্বার রমজান আলী এই সালিশে নেতৃত্ব দেন। এ সময় গ্রামের অন্যান্য সর্দারগন উপস্থিত ছিলেন।
পিএমখালীর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাস্টার আব্দুর রহিম বলেন, ওই মেয়ের স্বজনেরা তাকে মুখিকভাবে অভিযোগ করিলে থানা পুলিশের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে ছিলাম। কারণ এ ধরণের ঘটনা মিমাংসা করার এখতিয়ার আমার নেই।
কক্সবাজার সদর থানার ওসি শেখ মনিরুল গীয়াস বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় মিমাংসা করার সুযোগ নেই। আমার জানা মতে এ ধরণের অভিযোগ নিয়ে কেউ থানায় আসেনি। মামলা নিতে কোনো কাল বিলম্ব করা হয় না। অভিযোগ পেলে ঘটনার জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2020
Design & Developed by : JM IT SOLUTION