1. rajoirnews@gmail.com : ABDUL AZIZ : ABDUL AZIZ
  2. gopalganjbarta@gmail.com : ashik Rahman : ashik Rahman
  3. news.coxsbazarvoice@gmail.com : ABDUL AZIZ : ABDUL AZIZ
  4. jmitsolutionbd@gmail.com : jmmasud :
কুরিয়ার সার্ভিস:কন্ডিশন ডেলিভারিতে মানতে হবে নতুন নিয়ম - Coxsbazar Voice
বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১, ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন
দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :

কুরিয়ার সার্ভিস:কন্ডিশন ডেলিভারিতে মানতে হবে নতুন নিয়ম

  • প্রকাশিত : শনিবার, ১৯ জুন, ২০২১, ১০.৪৪ এএম
  • ৪৩ জন সংবাদটি পড়েছেন।

ভয়েস নিউজ ডেস্ক:

সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশে কুরিয়ার সার্ভিসের সংখ্যা চার শ’র কাছাকাছি। গ্রাহকদের মূল্যবান জিনিসপত্র ও টাকার লেনদেন করলেও এদের মধ্যে লাইসেন্স আছে মাত্র ৭২টির। লাইসেন্স নবায়ন করেছে মাত্র ৩১টি প্রতিষ্ঠান। এরমধ্যে আবার দুটি প্রতিষ্ঠান লাইসেন্স সমর্পণও করেছে। এসব কারণে লাইসেন্সবিহীন কুরিয়ার সার্ভিসগুলোকে লাইসেন্সের আওতায় আনতে নতুন কিছু উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। কুরিয়ার সেবায় ক্যাশ অন ডেলিভারির (কন্ডিশন ডেলিভারি) টাকা এখন থেকে লেনদেন করতে হবে ব্যাংকের মাধ্যমে।

লাইসেন্স ছাড়া কুরিয়ার সার্ভিসগুলো চাইলেই ‘কন্ডিশন ডেলিভারি’র টাকা হাতিয়ে নিতে পারে। তাই ওই টাকা ব্যাংকের মাধ্যমে জমা দানের বাধ্যবাধকতা চালু করেছে সরকার। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক এ নিয়ে নির্দেশনাও জারি করেছে। সরকারের এ সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।

প্রসঙ্গত, নবায়নকৃত লাইসেন্স ছাড়া কোনও কুরিয়ার সার্ভিস ব্যাংক হিসাব খুলতে পারবে না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘কুরিয়ার সার্ভিসের বেলায় এতো দিন যা চলে আসছিল তা আর চলতে দেওয়া হবে না। এখন তাদের কার্যক্রম এতো বেড়েছে যে সাধারণভাবে দেখার সুযোগ নেই। তাই এগুলোকে নিয়মের মধ্যে আনা হচ্ছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘শুধু কুরিয়ার সার্ভিস নয়, ডাক বিভাগের সেবাও এর আওতায় আসতে। সেবা প্রদান ব্যবস্থা ডিজিটাল হবে। এতে প্রতিষ্ঠানগুলোকে মনিটর করা যাবে। বুকিং দেওয়া পণ্য কোথায় আছে, কবে ডেলিভারি হবে এ সবও জানা যাবে।’

সিওডির টাকা ব্যাংক হিসাবে

লাইসেন্সপ্রাপ্ত কুরিয়ার সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর পারসেল বিতরণ হতে প্রাপ্ত (যা কন্ডিশন ডেলিভারি নামে বেশি পরিচিত) নগদ টাকা ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে নেওয়ার জন্য গত ৬ মে একটি সার্কুলার জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক মো. মেজবাউল হক স্বাক্ষরিত ওই সার্কুলারে বলা হয়, ‘দেশে কার্যত কুরিয়ার সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও অনলাইন ক্রয়-বিক্রয় প্লাটফর্মে বিক্রয়কৃত পণ্য ক্যাশ অন ডেলিভারি (সিওডি) ব্যবস্থায় ক্রেতার কাছে পৌঁছে দিচ্ছে।

কুরিয়ার সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো মাশুলের বিনিময়ে ক্রেতাকে পণ্য বিতরণপূর্বক আদায়কৃত পণ্যমূল্য বিক্রেতার কাছে পৌঁছানোর যে কর্মকাণ্ডে নিয়োজিত তা ব্যাংক ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালনার জন্য এবং এ ধরনের একটি নীতি কাঠামোর আওতায় আনার লক্ষ্যে কুরিয়ার সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের মূল্য ঘোষিত পণ্য হতে পাওয়া অর্থ ব্যাংকিং চ্যানেলে লেনদেন পদ্ধতি শীর্ষক গাইডলাইন তৈরি হয়েছে।’

কুরিয়ার সার্ভিস সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এর বাইরে অন্য কোনও আর্থিক সেবা দিতে পারবে না বলেও জানানো হয় ওই সার্কুলারে।

যে কারণে ব্যাংকিং চ্যানেল

নতুন এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য হলো- ক্যাশ অন ডেলিভারি বা কন্ডিশন বুকিং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ক্রেতার কাছ থেকে পণ্যমূল্য বাবদ সংগৃহীত নগদ অর্থ ব্যাংকে সেটেলমেন্ট অ্যাকাউন্ট পরিচালনার মাধ্যমে বিক্রেতার কাছে পৌঁছাবে। এতে লেনদেনে স্বচ্ছতাও আসবে। আবার লাইসেন্স নিতে গেলে কুরিয়ার সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে মোটা অংকের ‘সিকিউরিটি মানি’ জমা রাখতে হয়। এটাও গ্রাহকদের জন্য এক ধরনের নিরাপত্তা-চাদরের কাজ করে।

আবার, ব্যাংকে সেটেলমেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলতে কুরিয়ার প্রতিষ্ঠানগুলোকে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ থেকে লাইসেন্স নিতে হবে এবং কুরিয়ার সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য হতে হবে। লাইসেন্সবিহীন কুরিয়ার সার্ভিসগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করাও এ উদ্যোগের একটি উদ্দেশ্য বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান সেলেক্সট্রা ডট কম ডট বিডির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাকিব আরাফাত বলেন, ‘এটা শুভ উদ্যোগ। এতে সরকারের রাজস্ব বাড়বে। কুরিয়ার সার্ভিস প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি মানুষের আস্থাও বাড়বে।’

কুরিয়ার ও লজিস্টিকস সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ইকুরিয়ারের প্রধান নির্বাহী বিপ্লব ঘোষ রাহুল বলেন, ‘আমরা আমাদের ক্লায়েন্টদের অর্থ ব্যাংকের মাধ্যমে পরিশোধ করি। আমরা এখন সপ্তাহে তিনদিন উদ্যোক্তাদের পাওনা অর্থ ব্যাংকে জমা দিই।’

তিনি মনে করেন, এই পদ্ধতিতে অর্থ পরিশোধ করা করা হলে কোনও প্রতিষ্ঠান বিপুল অংকের টাকা নিয়ে সটকে পড়তে পারবে না। কারণ নবায়ন করা লাইসেন্স ছাড়া তো ব্যাংকে হিসাব খোলা যাবে না। ফলে লাইসেন্সধারীকে সহজে খুঁজে পাওয়া যাবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশে লাইসেন্সবিহীন কুরিয়ার সার্ভিস আছে তিন শতাধিক। তাদের অনেকের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাৎ, প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়া, নিয়মিত অর্থ পরিশোধে ব্যর্থতা নিয়ে অভিযোগ আছে। সূত্র:বাংলাট্রিবিউন।

ভয়েস/জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2020
Design & Developed by : JM IT SOLUTION