1. rajoirnews@gmail.com : ABDUL AZIZ : ABDUL AZIZ
  2. gopalganjbarta@gmail.com : ashik Rahman : ashik Rahman
  3. news.coxsbazarvoice@gmail.com : ABDUL AZIZ : ABDUL AZIZ
  4. jmitsolutionbd@gmail.com : jmmasud :
ভিআইপি‍রা উঠে আয়েশে, সাধারণরা ঠেলাঠেলীতে - Coxsbazar Voice
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ১১:২৮ অপরাহ্ন
দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
মনিটরিং না থাকায় রাইফেলের নামে সামরিক মানের অস্ত্র আমদানি পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) শুক্রবার, সকাল ৯টায় বের হবে জশনে জুলুশ বাকস্বাধীনতা আর অবমাননা কি সমান,খামেনেয়ীর প্রশ্ন ম্যাখোঁকে  ভাসানচর পাঠানো হতে পারে নভেম্বরে কিছু রোহিঙ্গা অতিদরিদ্র মৎস্যজীবী কমিউনিটি সদস্যদের অংশগ্রহণে কর্মশালা অনুষ্টিত বৌদ্ধ পল্লীতে উৎসবের আমেজ, শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা শুরু শুক্রবার উখিয়া ৪টি স্বর্ণের বারসহ এক পাচারকারী আটক মহেশখালীতে আরডিআরএস বাংলাদেশ কর্তৃক নগদ অর্থ বিতরণ নদী খনন হলেও সব কাজ দৃশ্যমান নয়: ‘শুভংকরের ফাঁকি’ মন্তব্য সংসদীয় কমিটির বিজয়ী জাতি হিসেবে বাংলাদেশ সারা বিশ্বে মাথা উঁচু করে চলবে-প্রধানমন্ত্রী

ভিআইপি‍রা উঠে আয়েশে, সাধারণরা ঠেলাঠেলীতে

  • প্রকাশিত : শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২০, ৭.৩৫ পিএম
  • ২৫২ জন সংবাদটি পড়েছেন।
৬ নং ঘাটে স্পীড বোটের সংকটে ঠেলাঠেলি করে উঠেতে গিয়ে নদীতে পড়ে যান একযাত্রী ছবি আজ বিকাল বেলার

ভয়েস প্রতিবেদক, মহেশখালী :

ঘাটের ভিআইপি প্রথা বিলুপ্ত করার দাবী যাত্রীদের
নির্দ্বিধায় চলছে মহেশখালী-কক্সবাজার ঘাটের নৈরাজ্য

ছবিটি ৬নং ঘাটের। এরকম ছবি প্রায় দেখা যায়। তবে এটি খুবই কষ্টদায়ক। অভিযোগ রয়েছে যাত্রীদের, এই নৌরুটে চলাচল করে যাদের উপর ভিআইপি নামের তকমা এমন রাজনীতিবীদ এবং প্রশাসনের শীর্ষ আমল‍া আরাম আয়েশে বোটে ‌উঠার ব্যবস্থা থাকে। কিন্তু সাধারণ যাত্রীদের প্রতিযোগিতামূলক ঠেলাঠেলি দিয়ে বোটে উঠতে হয। যার ফলে ঘটে দুর্ঘটনা।

যাত্রীদের আরো অভিযোগ একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটলেও নিশ্চুপ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। প্রতিদিন বোটে উঠতে গিয়ে কোন না কোন যাত্রী দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে মহেশখালী ও কক্সবাজার জেটিঘাটে। ঘাটের অব্যবস্থাপনার কারণে মহিলা, পুরুষ, বৃদ্ধ, শিশু থেকে শুরু করে সবশ্রেণী পেশার মানুষ এই তিক্ত অভিজ্ঞতার সম্মূখিন হয়েছে। নানান দুর্নীতি, অনিয়ম ও হয়রাণীর বিষয়ে ঘাটে দায়িত্বরতদের কাছে অভিযোগ করে উল্টো দ্বিগুণ হয়রাণীতে পড়তে হয় বলে একাধিক যাত্রী অভিযোগ করেন।

জানা যায়, মহেশখালী উপজেলা থেকে জেলা সদরে যাওয়ার একমাত্র মাধ্যম এই নৌপথ। কিন্তু স্বাধীনতার এত বছর পরেও কক্সবাজার ৬নং ও মহেশখালী নৌঘাটে কোন ধরণের পরিবর্তন আসেনি। বরং দিন দিন নতুন নতুন পন্থায় যাত্রীদের হয়রাণী করা হচ্ছে। মনগড়া ঘাট ভাড়া, মালামাল ভাড়া সহ বোট ভাড়া আদায় করে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি করা হচ্ছে প্রতিনিয়ত। এদিকে স্পীডবোট প্রতিজন ৭৫ টাকা এবং কাঠের বোট প্রতিজন ৩০ টাকা নেয়ার নিয়ম থাকলেও অনেক সময় যাত্রীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা প্রতিদিনের নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা।

এই ব্যাপারে সমাজকর্মী ফারুক ইকবাল জানান, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়টি সুক্ষ্মভাবে দুর্নীতি করার একটি প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়া বন্ধ করতে হলে টিকেট কাউন্টার স্থাপন করতে হবে। যাত্রীরা কাউন্টারে ভাড়া পরিশোধ করে বোটে উঠবে। সেক্ষেত্রে চালকদের হাতে টাকার লেনদেন থাকবেনা। আর অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করতেও পারবেনা। এই দুই ঘাটে টিকেট কাউন্টার স্থাপন করা অতিব জরুরী হয়ে পড়েছে।

৬নং ঘাটের, সংগৃহীত

শনিবার (১৭অক্টোবর) বিকেল ৪টায় কক্সবাজার ৬নং ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, বোট সংকটের কারণে শত শত যাত্রী আটকা পড়েছে। মহেশখালী ঘাট থেকে বোট আসলে তাতে ঠেলাঠেলি করে অনেকটা প্রতিযোগীতার মত করে যাত্রীরা বোটে উঠার চেষ্টা করে। এসময় বোটে উঠতে গিয়ে ৪/৫ জন যাত্রী কাদায় পড়ে কোমর সমান পানিতে ডুবে যায়। এতে মোবাইল সহ মূল্যবান জিনিসপত্র নষ্ট হয়ে যায়। আশেপাশে থাকা যাত্রীরা জানান, এরকম ঘটনা এই ঘাটে নতুন নয়। প্রতিদিন যাত্রীদের অনেকেই এভাবে পানিতে পড়ে যায়। তবে দুঃখের বিষয় হচ্ছে- এতসব অনিয়ম ঘটলেও এতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কিংবা আমাদের জনপ্রতিনিধিদের কোন মাথাব্যাথা নেই। কারণ যুগ যুগ ধরে তাদেরকে বিশেষ ভিআইপি সুবিধা দেয়া হয় ঘাটে। এই ভিআইপি প্রথা বিলুপ্ত করা হলে ঘাটের অনিয়ম কিছুটা কমবে বলেও জানান তারা। এদিকে লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে- কক্সবাজার ৬নং ঘাটে খালী বোট বাঁধা থাকলেও চালক সংকটের কারণে মহেশখালী যাচ্ছেনা বলে যাত্রীরা আরো জানান।

এরশাদ, রহিম, ফয়সাল সহ একাধিক যাত্রী জানান, ঘাটে বোট চলাচলের সমন্বয় না থাকায় যাত্রীদের ভীড় বেড়েছে। এছাড়াও চালক না থাকার অযুহাতে ঘাটে কৃত্রিম ভাবে বোট সংকট দেখানো হচ্ছে। কারণ বোট সংকট দেখিয়ে যাত্রীদের হয়রাণী করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে। আর ঘাটে অভিযোগবক্স বা অভিযোগ কেন্দ্র না থাকায় এইসব অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা যাচ্ছেনা। মহেশখালী ও কক্সবাজার জেটিঘাটে যাত্রীদের অভিযোগ শুনতে অভিযোগ কেন্দ্র স্থাপন করা জরুরী।

ভয়েস/জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2020
Design & Developed by : JM IT SOLUTION