1. rajoirnews@gmail.com : ABDUL AZIZ : ABDUL AZIZ
  2. gopalganjbarta@gmail.com : ashik Rahman : ashik Rahman
  3. news.coxsbazarvoice@gmail.com : ABDUL AZIZ : ABDUL AZIZ
  4. jmitsolutionbd@gmail.com : jmmasud :
ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে দেশে করোনার টিকা দেয়া শুরু - Coxsbazar Voice
রবিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২১, ০২:৩০ অপরাহ্ন
দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে দেশে করোনার টিকা দেয়া শুরু

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২১, ১০.৪৩ এএম
  • ২৭ জন সংবাদটি পড়েছেন।

ভয়েস নিউজ ডেস্ক:

ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে আসা অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার তিন কোটি করোনা টিকার প্রয়োগ পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে সরকার। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী ২৬ জানুয়ারি থেকে টিকার জন্য সরকারি তালিকাভুক্ত শ্রেণির নির্দিষ্ট পেশার ও বয়সের মানুষ নিবন্ধন করতে পারবে। সুরক্ষা নামে একটি মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করে নিবন্ধন করা যাবে। নিবন্ধনের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মসনদ লাগবে। নিবন্ধনের পর তথ্য যাচাই-বাছাই করে নির্দিষ্ট ব্যক্তির মোবাইলে ক্ষুদে বার্তার মাধ্যমে টিকা নেওয়ার দিন, সময় ও কেন্দ্রের নাম জানিয়ে দেওয়া হবে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী অগ্রাধিকারভিত্তিতে ২৪ শ্রেণির মানুষকে প্রথম দফায় আসা তিন কোটি টিকা দেবে সরকার। দুই ডোজ করে দেড় কোটি মানুষ এই টিকা পাবে। এই টিকায় মোট জনসংখ্যার ৮ দশমিক ৬৮ শতাংশ পূরণ হবে।

গত রবিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিবের সভায় এই পরিকল্পনা অনুমোদিত হয়। টিকা কাদের দেওয়া হবে, কীভাবে দেওয়া হবে, কীভাবে টিকাদান কেন্দ্রে নেওয়া হবে, অর্থাৎ টিকা বিতরণের বিস্তারিত তথ্য রয়েছে পরিকল্পনায়। পরে গতকাল সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পরিকল্পনার তথ্য জানাতে সংবাদ সম্মেলন করে।

সংবাদ সম্মেলনে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম জানান, সবকিছু ঠিক থাকলে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে মাঠপর্যায়ে করোনাভাইরাসের টিকা দিতে শুরু করবে সরকার। সে জন্য ২৬ জানুয়ারি থেকেই অনলাইনে নিবন্ধন শুরু হবে। বেক্সিমকো ফার্মা সরকারকে জানিয়েছে, ২১ থেকে ২৫ জানুয়ারি মধ্যে এই টিকা বাংলাদেশে আসবে। টিকা আসার পর দুদিন বেক্সিমকোর কোল্ডচেইনে থাকবে। সেখান থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তালিকা অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন জেলায় টিকা পাঠানো হবে।

অক্সফোর্ডের তিন কোটি ডোজ টিকা আনতে গত নভেম্বরে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকার ও বেক্সিমকো ফার্মার মধ্যে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী প্রতি টিকার দাম পড়ছে ৫ ডলার করে। এর মধ্যে চার ডলার পাবে সেরাম ইনস্টিটিউট ও ভারত থেকে এনে সরকারকে সরবরাহের জন্য বেক্সিমকো পাবে এক ডলার করে। মোট টিকার অর্ধেক টাকা ইতিমধ্যেই সেরাম ইনস্টিটিউটকে পাঠিয়ে দিয়েছে সরকার। বাংলাদেশে সেরাম ইনস্টিটিউটের টিকার ‘ডিস্ট্রিবিউটর’ হিসেবে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস প্রতি মাসে ৫০ লাখ ডোজ করে টিকা সরবরাহ করবে।

অ্যাপের নাম সুরক্ষা : স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (এমআইএস) বিভাগের পরিচালক ডা. হাবিবুর রহমান গতকাল দেশ রূপান্তরকে বলেন, অ্যাপ তৈরি হয়েছে। এখন সার্ভার, হোস্টিং ও এসএমএস জেনারেট করতে হবে। সেগুলো প্রক্রিয়াধীন আছে। এনআইডির ভেরিফিকেশন করতে হবে। আশা করছি, ২৬ জানুয়ারির মধ্যে অ্যাপ পুরোপুরি প্রস্তুত হয়ে যাবে। কিছু প্রসিডিউর বাকি আছে।

এই কর্মকর্তা বলেন, মোবাইলে যে কেউ অ্যাপ ডাউনলোড করে নিবন্ধন করতে পারবেন। ওই অ্যাপস থেকেই তালিকার ডেটাবেইস তৈরি হবে। বিকল্প হিসেবে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের তালিকা আমরা তৈরি করব। অ্যাপসের মাধ্যমে নিবন্ধন হয়ে গেলে সেখানেও একটা তালিকা পাব। দুটো মিলে চূড়ান্ত ব্যক্তিকে আমরা টিকা নেওয়ার জন্য ক্ষুদে বার্তা পাঠাব। কোন শ্রেণির, কোন ধরনের মানুষ নিবন্ধন করতে পারবে বা টিকা পাবে, তার জন্য বিভিন্ন তথ্য প্রচার করব নানা মাধ্যমে। প্রয়োজনে আরেকটা সংবাদ সম্মেলন করে অ্যাপস ঠিকানা জানিয়ে দেওয়া হবে। অ্যাপসের নাম হবে সুরক্ষা।

এ ব্যাপারে ডা. শামসুল হক বলেন, আমরা প্রাথমিকভাবে জেলাভিত্তিক তালিকা করছি। সে অনুযায়ী টিকা ও অন্যান্য সরঞ্জাম পাঠিয়ে দেব। পরে নিবন্ধন অনুযায়ী টিকা দেওয়া হবে। দৈনিক আমরা সাত লাখের বেশি টিকা দিতে পারব। তবে সেটা একটা পর্যায়ে দেব। এই মুহূর্তে দৈনিক ঠিক কয়টি করে দেব, সেটা বলা যাচ্ছে না। এমনও হতে পারে জেলা ও উপজেলায় একটি করে টিম দেব। পরের সপ্তাহে দুটি করে টিম টিকা দেবে।

সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া তথ্য : গতকালের সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, অক্সফোর্ডের তৈরি এই টিকা প্রত্যেককে দুই ডোজ করে দিতে হয়। সে কারণে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রথমে পরিকল্পনা করেছিল, প্রথম চালানের ৫০ লাখ টিকার অর্ধেক ২৫ লাখ মানুষকে দিয়ে তাদের জন্য বাকি টিকা সংরক্ষণ করা হবে। তবে সেই পরিকল্পনায় পরিবর্তন এসেছে জানিয়ে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার নতুন তথ্য অনুযায়ী, প্রথম ডোজ দেওয়ার দুই মাস পর দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া যাবে। সে কারণে প্রথম চালানে পাওয়া টিকা প্রথম মাসেই একসঙ্গে ৫০ লাখ মানুষকে দেওয়া হবে। এর আগে আমাদের জানানো হয়েছিল, প্রথম ডোজ দেওয়ার ২৮ দিন পর দ্বিতীয় ডোজ দিতে হবে। সে হিসেবে প্রথমে ২৫ লাখ মানুষকে টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু গতকাল নতুন নিয়ম জানার পর আমরা পরিকল্পনায় পরিবর্তন এনেছি। প্রথম যে ৫০ লাখ টিকা আসবে তা দিয়ে দেওয়া হবে। দুই মাসের মধ্যে আরও টিকা চলে আসবে।

এ ব্যাপারে অধিদপ্তরের এমএনসিঅ্যান্ডএএইচ অপারেশনাল প্ল্যানের লাইন ডিরেক্টর ও করোনা টিকা ব্যবস্থাপনার টাস্কফোর্স কমিটির সদস্যসচিব ডা. মো. শামসুল হক দেশ রূপান্তরকে বলেন, ডোজ পরিবর্তন হয়েছে। আগে বলা হচ্ছিল প্রথম ডোজ নেওয়ার ২৮ দিন পর দ্বিতীয় ডোজ, কিন্তু এখন দুই মাস পর দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে। এতে সুবিধা হলো। বেশি লোককে দুই মাসের মধ্যে টিকা দিতে পারব। তাতে এসব লোক আর রোগটি ছড়াতে পারবে না।

এই কর্মকর্তা সংবাদ সম্মেলনে জানান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে টিকা পৌঁছাবে ২৭ জানুয়ারি। টিকা পাওয়ার পর কয়েকটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ও স্বেচ্ছাসেবকদের টিকা দেওয়া হবে। এক সপ্তাহ পর, মাঠপর্যায়ে টিকা দেওয়া শুরু হবে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা ও অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বক্তব্য দেন।

কারা টিকা পাবে : সরকার তিন কোটি টিকার জন্য অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ২৪ শ্রেণির দেড় লাখ মানুষের তালিকা চূড়ান্ত করেছে। তালিকা অনুযায়ী প্রথম ও দ্বিতীয় মাসে ৫০ লাখ করে এক কোটি এবং পঞ্চম মাসে অবশিষ্ট ৫০ লাখ মানুষকে টিকা দেওয়া হবে।

তালিকার প্রথমেই রয়েছেন করোনা স্বাস্থ্যসেবায় সরাসরি সম্পৃক্ত সব সরকারি স্বাস্থ্যকর্মী। তাদের সংখ্যা ৪ লাখ ৫২ হাজার ২৭। তারা সবাই প্রথম মাসেই টিকা পাবেন।

এরপর রয়েছেন সব অনুমোদিত বেসরকারি ও প্রাইভেট স্বাস্থ্যকর্মী। তাদের সংখ্যা ৬ লাখ। তারাও প্রথম মাসেই টিকা পাবেন।

অগ্রাধিকারভিত্তিক সেই তালিকায় ধারাবাহিকভাবে যারা রয়েছেন, তারা হলেন ২ লাখ ১০ হাজার বীর মুক্তিযোদ্ধা, সম্মুখসারির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ৫ লাখ ৪৬ হাজার ৬১৯ জন, (প্রথম মাসে পাবেন ২ লাখ ৭৩ হাজার ৩১০ জন ও দ্বিতীয় মাসে বাকিরা), সামরিক ও বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্য ৩ লাখ ৬০ হাজার ৯১৩ জন (প্রথম মাসে অর্ধেক ও দ্বিতীয় মাসে বাকি অর্ধেক), রাষ্ট্র পরিচালনায় অপিরহার্য কার্যালয় কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা ৫০ হাজার (প্রথম মাসে অর্ধেক ও দ্বিতীয় মাসে বাকিরা), সম্মুখসারির গণমাধ্যমকর্মীর সংখ্যা ৫০ হাজার, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ১ লাখ ৭৮ হাজার ২৯৮, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার সম্মুখ কর্মচারী ১ লাখ ৫০ হাজার, ধর্মীয় প্রতিনিধি ৫ লাখ ৪১ হাজার, মৃতদেহ সৎকার কাজে নিয়োজিত ব্যক্তি ৭৫ হাজার, জরুরি পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, পরিবহন কর্মচারী ৪ লাখ, স্থল, নৌ ও বিমানবন্দরকর্মী ১ লাখ ৫০ হাজার, প্রবাসী অদক্ষ শ্রমিক ১ লাখ ২০ হাজার, জেলা ও উপজেলাসমূহে জরুরি জনসেবা সম্পৃক্ত সরকারি কর্মচারী ৪ লাখ, ব্যাংক কর্মকর্তা- কর্মচারী ১ লাখ ৯৭ হাজার ৬২১, বয়স্ক জনগোষ্ঠী (ঊর্ধ্ব ৮০ বছর) ১৩ লাখ ১২ হাজার ৯৭৩, বয়স্ক জনগোষ্ঠী (৭৭-৭৯ বছর) ১১ লাখ ৩ হাজার ৬৫৩ জন, বয়স্ক জনগোষ্ঠী (৭৪-৭৬ বছর) ৯ লাখ ৫৩ হাজার ১৫৩, বয়স্ক জনগোষ্ঠী (৭০-৭৩ বছর) ২৯ লাখ ৬ হাজার ৮৭৯, বয়স্ক জনগোষ্ঠী (৬৭-৬৯ বছর) ২৪ লাখ ৭৫ হাজার, বয়স্ক জনগোষ্ঠী (৬৪-৬৬ বছর) ২৪ লাখ ৭৫ হাজার, জাতীয় দলের খেলোয়াড় (ফুটবলার, ক্রিকেট, হকি ইত্যাদি) ২১ হাজার ৮৬৩, বাফার, ইমারজেন্সি, আউটব্রেক ১ লাখ ২০ হাজার।

দুই ডোজ পর্যন্ত দেশেই থাকতে হবে : টিকা প্রয়োগ পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, প্রবাসী অদক্ষ শ্রমিকরা টিকা নিতে চাইলে তাদের অবশ্যই দুই ডোজের মধ্যবর্তী সময়ের ব্যবধান নির্ধারিত ৮ সপ্তাহ দেশে অবস্থান করতে হবে। এ ক্ষেত্রে তাকে বৈধ কাগজপত্রাদি (পাসপোর্ট, ভিসা, ওয়ার্ক পারমিট ইত্যাদি) দাখিল করতে হবে।

কোল্ড চেইন ধারণক্ষমতা : পরিকল্পনার তথ্য অনুযায়ী, প্রতি মাসে আসা ৫০ লাখ টিকা ৬৪টি জেলা ইপিআই স্টোর ও ৪৮৩টি উপজেলা ইপিআই স্টোরের কোল্ডচেইনে সংরক্ষণ করা হবে। এ ব্যাপারে ডা. শামসুল হক দেশ রূপান্তরকে বলেন, জেলার ইপিআই সেন্টারে ওয়াক ইন কুলার রুম রয়েছে। এটি একধরনের ফ্রিজসংবলিত ঘর। এটার তাপমাত্রা ২-৮ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড। আর উপজেলার ইপিআই সেন্টারেও একই তাপমাত্রার আইস লাইন রেফ্রিজারেটর রয়েছে। এগুলোতে অক্সফোর্ড টিকা রাখা যাবে।

এর মধ্যে কুলার রুমে ১ লাখ থেকে ৪ লাখ ২৫ হাজার টিকা, আইস লাইন রেফ্রিজারেটরে ৭ হাজার ১০০, কোল্ড বক্সে ৯০০ ও ভ্যাকসিন ক্যারিয়ারে ৮০টি করে টিকা রাখা যাবে।

যেসব কেন্দ্রে টিকা দেওয়া হবে : টিকা প্রয়োগ পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, সারা দেশে ৭ হাজার ৩৪৪টি টিম টিকা দেবে। টিমে দুজন করে নার্স, স্যাকমো ও পরিবারকল্যাণ পরিদর্শিকা এবং চারজন করে স্বেচ্ছাসেবক থাকবেন। এই প্রশিক্ষিত সদস্যরা উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ইউনিয়ন পরিষদ, জেলা বা সদর হাসপাতাল, সরকারি ও নির্দিষ্ট বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বিশেষায়িত হাসপাতাল, পুলিশ ও বিজিবি হাসপাতাল, সিএমএইচ ও বক্ষব্যাধি হাসপাতালে টিকা দেবেন।

টিকার কার্ড ও সম্মতিপত্র : টিকার জন্য নির্বাচিত ব্যক্তিদের একটি করে টিকাদান কার্ড দেওয়া হবে। সেখানে প্রথম ডোজ ও দ্বিতীয় ডোজের তারিখসহ নাম-ঠিকানা লেখা থাকবে। পাশাপাশি টিকা নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে একটি অবহিতকরণ সম্মতিপত্র দেওয়া হবে। সেখানে ওই ব্যক্তি যে স্বেচ্ছায় টিকা নিতে ইচ্ছুক তার সম্মতি দেবেন।

টিকাদান সমন্বয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ইমারজেন্সি রেসপন্স কমিটি গঠন : কভিড-১৯ প্রতিরোধে টিকাদান ব্যবস্থাপনা সুষ্ঠুভাবে নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কভিড-১৯ ইমারজেন্সি রেসপন্স টিম গঠন করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ। গতকাল সোমবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ থেকে এক অফিস আদেশে এ কমিটি গঠনের কথা জানানো হয়েছে। যুগ্ম সচিব বেগম নিলুফার নাজনীনকে আহ্বায়ক করে গঠিত এ কমিটিতে উপসচিব বেগম আনজুমান আরাকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী, সিনিয়র সহকারী সচিব মোহম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা ও জাতীয় পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের ডিপিএম ডা. মো. মফিজুল ইসলাম বুলবুল।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2020
Design & Developed by : JM IT SOLUTION