1. rajoirnews@gmail.com : ABDUL AZIZ : ABDUL AZIZ
  2. gopalganjbarta@gmail.com : ashik Rahman : ashik Rahman
  3. news.coxsbazarvoice@gmail.com : ABDUL AZIZ : ABDUL AZIZ
  4. jmitsolutionbd@gmail.com : jmmasud :
পাহাড় রক্ষায় বেলা’র আইনী চিঠি কউক চেয়ারম্যানসহ ২২ সরকারি কর্মকর্তাকে - Coxsbazar Voice
সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০, ০২:০৫ পূর্বাহ্ন
দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
পেকুয়ায় থানার পাঁচশো মিটারের মধ্যে দুর্ধর্ষ ডাকাতি টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ৬টি স্বর্ণের বার উদ্ধার,পলাতক-২ আর নেই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার প্রধান আব্দুল হান্নান কুতুবদিয়ায় জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলা সম্পন্ন সীমান্তে সকর্তকতা:মিয়ানমারের অস্ত্রধারীদের ঠেকাতে কঠোর সরকার সেতুবন্ধন সৃষ্টিতে ট্রান্স এশিয়ান রেলওয়ের সাথে সংযোগ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী জিয়াউর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন, বিএনপির বিক্ষোভ ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে কাউন্সিলের মাধ্যমে কমিটি গঠন করতে হবে: কাদের বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে নয়, ভাস্কর্যের বিরুদ্ধে বলেছি আয়কর রিটার্ন জমার শেষ দিন ৩০ নভেম্বর

পাহাড় রক্ষায় বেলা’র আইনী চিঠি কউক চেয়ারম্যানসহ ২২ সরকারি কর্মকর্তাকে

  • প্রকাশিত : সোমবার, ৯ নভেম্বর, ২০২০, ১০.১৬ পিএম
  • ১৪৪ জন সংবাদটি পড়েছেন।
কলাতলী আদর্শগ্রাম সংলগ্ন পাহাড়ী এলাকায় কউকের আবাসন প্রকল্প

ভয়েস প্রতিবেদক:

জেলায় হঠাৎ করে পাহাড় কাটা বেড়ে যাওয়ায় এবং পাহাড় কাটা বন্ধে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়ন না করায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি ( বেলা)।

একই সাথে দ্রুত সময়ে পাহাড় কাটা বন্ধ ও পাহাড়ে নির্মিত সমস্ত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে অনুরোধ জানিয়ে ৭ সচিব, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, জেলা প্রশাসক, কক্সবাজার পৌরসভার মেয়রসহ ২২ সরকারী কর্মকর্তাকে আইনী চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি ( বেলা)।

চিঠিতে এ বিষয়ে গৃহীত পদক্ষেপ আগামী ৭ দিনের মধ্যে অবহিত করার জন্যও অনুরোধ জানানো হয়। বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির ( বেলা) পক্ষে সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবি সাঈদ আহমেদ কবির ৮ নভেম্বর ডাকযোগে এ চিঠি পাঠিয়েছেন।

চিঠি প্রাপ্তরা হলেন-মন্ত্রী পরিষদের সচিব, পরিবেশ,বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব, চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, স্থাপত্য বিভাগের প্রধান স্থপতি, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, পরিবেশ অধিদপ্তর চট্রগ্রাম বিভাগের পরিচালক ও কক্সবাজার কার্যালয়ের উপ-পরিচালক, কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র ও কক্সবাজার সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি।

বেলার এ আইনী চিঠিতে বলা হয়েছে, গত ২ নভেম্বর একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত সংবাদের তথ্যমতে, কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন স্থানে পাহাড় কাটার জন্য গত এক বছরে শতাধিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে। কিন্তু জরিমানা দিয়ে আবার পাহাড় কেটেছেন তাঁরা। ফলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই পাহাড়গুলো রক্ষা করা যায়নি। পরিবেশ বিধ্বংসী এসব কাজের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বড় একটি অংশ রাজনৈতিক নেতা, উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্যসহ স্থানীয় প্রভাবশালীরা।

৯ অক্টোবর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভায় জানানো হয়, সারা দেশের মধ্যে কক্সবাজারে সবচেয়ে বেশি, ৫৯ হাজার ৪৭১ একর বনভূমি বেদখল হয়ে গেছে। সারা দেশে দখল হয়েছে ২ লাখ ৮৭ হাজার একর।

পাহাড় কাটার এ উৎসব মূলত শুরু হয় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার ঘুমধুম রেললাইনকে কেন্দ্র করে। রেললাইনের গতিপথে পাহাড় পড়লে তা নির্ধারিত পরিমাপে কাটার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমতি রয়েছে। কিন্তু এ সুযোগে যে যেমন পারছে, পাহাড় কেটে মাটি বিক্রির পাশাপাশি জমি সমতল করে স্থাপনা নির্মাণ করছে।

অথচ বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির ( বেলা ) কক্সবাজার জেলার সাত উপজেলা নিয়ে করা একটি জনস্বার্থমুলক মামলার প্রেক্ষিতে ২০১৯ সালের ৯ ডিসেম্বর একটি নির্দেশনাদেন হাইকোর্ট। দেশের সর্বোচ্চ আদালতের এ নির্দেশনায় বলা হয়েছে- কক্সবাজার সদর, রামু, উখিয়া, টেকনাফ, চকরিয়া, পেকুয়া ও মহেশখালী এ সাত উপজেলায় অবস্থিত সকল পাহাড়, টিলা ও পাহাড়ী বনকে কোন ধরনের পরিবর্তন, রুপান্তর ও কর্তন করা যাবেনা। করলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।

আদালতের এরকম ঐতিহাসিক ও সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকারপরও বর্তমান কোভিড-১৯ মহামারি সংকটাপন্ন সময়ে কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন স্থানে নির্বিচারে পাহাড়কাটা চলছে বলে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এ পাহাড় কাটা বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতা কক্সবাজার জেলাকে পাহাড় শূন্য করে তোলার উপক্রম করেছে। ফলশ্রুতিতে পরিবেশ-প্রতিবেশ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। ধ্বংস হচ্ছে জীববৈচিত্র্য। প্রাকৃতিক ভারসাম্য সম্পূর্ণ হারাতে বসেছে পর্যটন শহর কক্সবাজার।

মুলত কর্তৃপক্ষের কঠোর ও যথাযথ পদক্ষেপের অভাবে অব্যাহত পাহাড়কাটার দীর্ঘ প্রভাব হিসাবে পাহাড় ধ্বংস ও প্রাণহাণীর ঘটনা কক্সবাজার জেলার জন্য বিরল নয়।

চিঠিতে বলা হয়েছে, দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী পাহাড় কর্তন, মোচন সম্পুর্ণ নিষিদ্ধ। পাহাড় কাটা বন্ধে আইনের এ বিধানের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করতে ও কার্যকর রাখতে উল্লেখিত মামলা ছাড়াও বেলা কর্তৃক একাধিক জনস্বার্থমুলক মামলা দায়ের করে। অর্জিত হয় পাহাড় কাটা বন্ধে একাধিক নির্দেশনা। আদালতের এসব জনগুরুত্বপূর্ণ প্রতিটি নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পাহাড় কাটা বন্ধ করতে এখনো সক্ষম হয়নি, যা দেশের বিচার ব্যবস্থার প্রতি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চরম অবজ্ঞা ও উদাসিনতার পরিচায়ক। সেই সাথে আদালত অবমাননার শামীলও বটে।

ভয়েস/জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2020
Design & Developed by : JM IT SOLUTION