1. rajoirnews@gmail.com : ABDUL AZIZ : ABDUL AZIZ
  2. gopalganjbarta@gmail.com : ashik Rahman : ashik Rahman
  3. news.coxsbazarvoice@gmail.com : ABDUL AZIZ : ABDUL AZIZ
  4. jmitsolutionbd@gmail.com : jmmasud :
ড্রীম নাইট ও নীলিমা রির্সোট নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ - Coxsbazar Voice
বৃহস্পতিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ০৪:৩৬ অপরাহ্ন
দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

ড্রীম নাইট ও নীলিমা রির্সোট নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২০, ১১.১৩ পিএম
  • ২৭৯ জন সংবাদটি পড়েছেন।

মঙ্গলবার (০৩ নভেম্বর) কক্সবাজারের বিভিন্ন স্থানীয় পত্রিকা ও অনলাইন পোর্টালে ‘কলাতলী ও সেন্টমার্টিনে রিসোর্ট নিয়ে লক্ষীপুরের জামশেদের ইয়াবা ব্যবসা’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে।

যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন। আমার সামাজিক সুনাম ক্ষুন্ন করার প্রয়াসে সংবাদে এমন মনগড়া মিথ্যাচার করা হয়েছে। যা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রণোদিত। সংবাদে উল্লেখ করা কারো সাথে আমার পরিচয় নেই। কাউকে আমি চিনি না। প্রতিবেদক সংবাদে আমার যে বক্তব্য দিয়েছে তা আমি দিইনি। শহরের পাহাড়তলীর আরিফ নামে আমি কাউকে জানি না। অহেতুক তাদের সাথে জড়িয়ে আমার নামে অপপ্রচার করছে।

মূলতঃ ইকো হলিডেস লিমিটেড এর আওতায় আমরা সুগন্ধা পয়েন্টে নীলিমা রিসোর্ট ও সেন্টমার্টিনে ড্রীম নাইট আবাসিক হোটেল সুনামের সাথে পরিচালনা করে আসছি। তারমধ্যে সেন্টমার্টিনে ড্রীম নাইটের মালিক ফেনীর আবু সাঈদ নোমানের সাথে ইকো হলিডেস লিমিটেড ৩ বছরের জন্য চুক্তি করে ভাড়া নিই। ভাড়া নেয়ার পর থেকে আমরা সুনামের সাথে ওই প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছি। কিন্তু চলতি বছরের শুরুর দিকে রামগঞ্জ লক্ষীপুরের শামসুল আলম, তার সহযোগী সাইফুল আলম গং টেকনাফ থানায় ড্রীম নাইটের মালিকানা দাবি করে একটি জিডি করেন। জিডি প্রেক্ষিতে টেকনাফ থানার তৎকালীন ওসি তদন্ত এবিএম এস দোহা ও এসআই সাব্বির হোসেন ইকো হলিডেস কর্তৃপক্ষকে ডাকেন।

আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে টেকনাফ থানায় যায়। তখন টেকনাফ থানা কর্তৃপক্ষ মূল মালিক আবু সাঈদ নোমানের সাথে যোগাযোগ করে থানায় আসার জন্য বলেন। যার আলোকে আমরা আবু সাঈদ নোমানের সাথে যোগাযোগ করতে গেলে তার স্ত্রী জানান তিনি অনেকদিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে। ওইসময় তার স্ত্রী ধারণা করেন ব্যবসায়ীক মতবিরোধের জের ধরে ওই চক্রই তাকে গুম করে রেখেছেন। তাকে না পেয়ে পরে থানা কর্তৃপক্ষ শামসুল আলম ও সাইফুল আলম গংয়ের সাথে আমাদের ৩১/১০/২০২০ ইং পর্যন্ত একটি সমঝোতা চুক্তি করে দেয়। সেই সমঝোতার আলোকে আমরা সেন্টমার্টিনে ড্রীম নাইট প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছি।

কিন্তু হঠাৎ শামসুল আলম গং অজানা উদ্দেশ্যে গত ৩০ অক্টোবর টেকনাফ থানায় আমাদের বিরুদ্ধে আরেকটি জিডি করেন। বিষয়টি টেকনাফ থানা আমাদের অবহিত করলে আমরা যাওয়ার জন্য সম্মতি জানায়। কিন্তু এরপরদিন ৩১ অক্টোবর হঠাৎ শামসুল আলম ও সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে সেন্টমার্টিনে ড্রীম নাইট প্রতিষ্ঠানে ভাড়াটিয়া ২৫-৩০ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসী দিয়ে হামলা ও লুটপাট চালায়। এসময় তারা কর্মকর্ত, কর্মচারিদের মারধর করে তাড়িয়ে দেয়। হোটেলে থাকা পর্যটকদেরও মারধর করে বের করে দেয়। এসময় পর্যটকদের সর্বস্ব হাতিয়ে নেয়। এই ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত ও তাদের অপকর্ম আড়াল করতেই নতুন করে আমাকে ইয়াবা ব্যবসায়ীর মিথ্যা তকমা লাগিয়ে অপপ্রচার শুরু করে। যা শাক দিয়ে মাছ ঢাকার শামিল। এতে পর্যটন ব্যবসায়ীদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

পর্যটন শিল্প বিকাশের লক্ষ্যে ইকো হলিডেস লিমিটেড কোটি টাকা বিনিয়োগ করে কক্সবাজারে পর্যটন ব্যবসা করে আসছি। শান্তিপূর্ণভাবে এতোদিন আমাদের ব্যবসা চলে আসছে। কিন্তু সন্ত্রাসী, দখলবাজ ও লুটপাটকারীদের কারণে পর্যটনে ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগে আগ্রহ কমে যাচ্ছে। যার প্রভাব পড়বে পর্যটন শিল্প। তাই আমি বিষয়টি সুষ্টুভাবে সমাধানে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ সুপার, ডিজিএফআই, র‌্যাব-১৫সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের হস্তক্ষেপ এবং সহযোগিতা কামনা করছি।

সেই সাথে আমি মিথ্যা ওই সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা প্রকাশ করছি। এ নিয়ে প্রশাসনসহ কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।

প্রতিবাদকারী
ইকো হলিডেস এর পক্ষে
চেয়ারম্যান জামশেদ আলম মামুন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2020
Design & Developed by : JM IT SOLUTION