1. rajoirnews@gmail.com : ABDUL AZIZ : ABDUL AZIZ
  2. gopalganjbarta@gmail.com : ashik Rahman : ashik Rahman
  3. news.coxsbazarvoice@gmail.com : ABDUL AZIZ : ABDUL AZIZ
  4. jmitsolutionbd@gmail.com : jmmasud :
এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী বছর - Coxsbazar Voice
সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০, ০২:২০ পূর্বাহ্ন
দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
পেকুয়ায় থানার পাঁচশো মিটারের মধ্যে দুর্ধর্ষ ডাকাতি টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ৬টি স্বর্ণের বার উদ্ধার,পলাতক-২ আর নেই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার প্রধান আব্দুল হান্নান কুতুবদিয়ায় জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলা সম্পন্ন সীমান্তে সকর্তকতা:মিয়ানমারের অস্ত্রধারীদের ঠেকাতে কঠোর সরকার সেতুবন্ধন সৃষ্টিতে ট্রান্স এশিয়ান রেলওয়ের সাথে সংযোগ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী জিয়াউর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন, বিএনপির বিক্ষোভ ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে কাউন্সিলের মাধ্যমে কমিটি গঠন করতে হবে: কাদের বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে নয়, ভাস্কর্যের বিরুদ্ধে বলেছি আয়কর রিটার্ন জমার শেষ দিন ৩০ নভেম্বর

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী বছর

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ২০ নভেম্বর, ২০২০, ১২.১৭ পিএম
  • ২৪ জন সংবাদটি পড়েছেন।

ভয়েস নিউজ ডেস্ক:

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে আট মাস ধরে বন্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। আগামী ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্কুল-কলেজের ছুটি বাড়ানো হয়েছে, যদিও টেলিভিশনে ক্লাস প্রচারিত হয়েছে। শহরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো অনলাইন ক্লাসের ব্যবস্থা করেছে। এর পরও বেশির ভাগ শিক্ষার্থীই পড়ালেখার বাইরে রয়েছে। ফলে আগামী বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার কী হবে, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

শিক্ষাপঞ্জি অনুসারে, আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা। আর আগামী ১ এপ্রিল থেকে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা। নভেম্বর মাসে এসএসসির টেস্ট পরীক্ষা এবং ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে এইচএসসির টেস্ট পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল; কিন্তু একে তো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ, তার ওপর করোনার কারণে শিক্ষার্থীদের সিলেবাসও শেষ হয়নি। ফলে যথাসময়ে টেস্ট পরীক্ষাও নেওয়া যাচ্ছে না।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক বলেন, ‘এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য সীমিত পরিসরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে। তবে যেহেতু শীতকাল আসছে, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আসারও আশঙ্কা করা হচ্ছে, তাই আমাদের আরো কিছুটা দেখেশুনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আগামী ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ানো হয়েছে। এর আগেই করোনা পরিস্থিতি দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, আগামী বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা যথাসময়ে না হওয়ার আশঙ্কাই বেশি। কারণ সব শিক্ষার্থী অনলাইন বা টেলিভিশন ক্লাসে যুক্ত হয়নি। বিশেষ করে মফস্বলের শিক্ষার্থীরা অনেক বেশি পিছিয়ে আছে। শিক্ষার্থীদের সিলেবাসও শেষ করা সম্ভব হয়নি। এই অবস্থায় আগামী বছর যথাসময়ে এসএসসি ও এইচএসসির মতো গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব নয়।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, ‘প্রতিবছরের এই সময়ে এসএসসির ফরম পূরণ চলে। এইচএসসির প্রস্তুতিও নেওয়া হয়। এবার যেহেতু গত মার্চ মাস থেকেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ, তাই পরীক্ষার ব্যাপারে আমরা এখনই কিছু চিন্তা করতে পারছি না। পরীক্ষা পেছানো হবে কি না, সে ব্যাপারেও এখনো কোনো আলোচনা হয়নি। আগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলুক, তার পরও আমরা এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে পরিকল্পনা করব।’

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা গ্রহণ করা না হলেও তাদের সম্পূর্ণ সিলেবাসই শেষ হয়েছে। কারণ চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষা গত ১ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়ার কথা ছিল। সেই হিসাবে পরীক্ষার সূচি প্রকাশ করা হয়েছিল। কিন্তু ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সেই পরীক্ষা আর গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। যেহেতু তাদের সিলেবাস শেষ হয়েছে, তাই তাদের জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। কিন্তু আগামী বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের পড়ালেখাই ঠিকমতো হয়নি, সিলেবাস শেষ করা তো দূরের কথা। তাই তাদের বিকল্প কোনো উপায়ে মূল্যায়নের সম্ভাবনাও ক্ষীণ।

জানা যায়, নবম ও দশম শ্রেণির দুই বছর মিলিয়ে এসএসসির সিলেবাস তৈরি করা হয়। তারা দুই বছরেরও বেশি সময় পায়। যদিও বাস্তবে এসব শিক্ষার্থী ১৭ থেকে ১৮ মাস পাঠদান পেয়ে থাকে। অন্যদিকে এইচএসসি দুই বছরের প্রগ্রাম হলেও বাস্তবে পাঠদান হয়ে থাকে ১৬ মাসের মতো। সেই হিসাবে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আগামী বছরের এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা।

অভিভাবকদের দাবি, শিক্ষার্থীদের ঠিকমতো লেখাপড়া করিয়ে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন, নয়তো এসব শিক্ষার্থীর দক্ষতা অর্জনে ঘাটতি থাকবে। পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উচ্চশিক্ষায় গিয়ে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বে।

মনিপুর উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অভিভাবক মো. জসীম উদ্দিন বলেন, ‘আমার ছেলে ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী। সে খুবই মেধাবী ছাত্র। কিন্তু করোনায় চলতি বছর স্কুল বন্ধ থাকায় অনেক ক্ষতি হয়ে গেল। কতটুকু প্রস্তুতি সে নিয়েছে, তা যাচাই করা সম্ভব হচ্ছে না। এই পরীক্ষার ব্যাপারে অটো পাসের মতো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হোক, এটা আমি কোনোভাবেই চাই না। কিছুটা দেরি হলেও সিলেবাস সংক্ষিপ্ত করে পরীক্ষা নিয়েই যেন শিক্ষার্থীদের পরের ক্লাসে ওঠানো হয়, নয়তো ভবিষ্যতে সে আরো ক্ষতির মুখে পড়বে।’

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2020
Design & Developed by : JM IT SOLUTION