1. rajoirnews@gmail.com : ABDUL AZIZ : ABDUL AZIZ
  2. gopalganjbarta@gmail.com : ashik Rahman : ashik Rahman
  3. news.coxsbazarvoice@gmail.com : ABDUL AZIZ : ABDUL AZIZ
  4. jmitsolutionbd@gmail.com : jmmasud :
এখনো ধরা ছোঁয়ার বাইরে: ইয়াবার ডিলার ওসমান - Coxsbazar Voice
রবিবার, ৩১ মে ২০২০, ০৬:৪৬ পূর্বাহ্ন
করোনা:
কক্সবাজার সদর উপজেলায় ২৫৩ জন # চকরিয়ায় ১৫৭ জন # উখিয়ায় ৮৬জন # টেকনাফে ২০ জন # রামু ২২ জন # মহেশখালীতে ৩১ জন # কুতুবদিয়ায় ২ জন # পেকুয়ায় ৩৭ জন #রোহিঙ্গা ক্যাম্প ৩০ জন।
শিরোনাম :
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ আজ  গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা:কাদের স্বাস্থ্যবিধি রক্ষা করে অফিস খুলছে আগামীকাল সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা করোনা পজিটিভ করোনা পরিস্থিতিতে বাসের ভাড়া ৮০ শতাংশ বাড়ানো কতটা যৌক্তিক ? কুতুবদিয়ায় ইউএনও, এসিল্যান্ডের সংবাদ বর্জনের ঘোষণা সাংবাদিকদের করোনা মোকাবিলায় সরকার প্রথম থেকেই ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে: ফখরুল জেলা যুবদলের জিয়াউর রহমানের ৩৯তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত কক্সবাজার পৌর মেয়র মুজিবুর রহমানসহ পরিবারের ৪ সদস্য করোনা আক্রান্ত চকরিয়ায় জিয়াবুল হক পাশে দাড়ালেন করোনা আক্রান্ত দরিদ্র পরিবারের 

এখনো ধরা ছোঁয়ার বাইরে: ইয়াবার ডিলার ওসমান

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২০, ৯.৩৫ পিএম
  • ৫৫৮ জন সংবাদটি পড়েছেন।

জিকির উল্লাহ জিকু :

করোনা ভাইরাসে যখন সকল মানুষ নিজের জীবন বাঁচাতে মরিয়া। এই করুণ সময়েও গত ৫ মে আরেক মরণঘাতি নেশা দ্রব্য ইয়াবার চালান পাঠাতে প্রস্তুতির সময় পুলিশের কাছে ধরা পড়ে মুখোশধারী ওসমান মেম্বার ওরফে ইয়াবার ডিলার ওসমান। যে ইয়াবাগুলো ত্রাণের আড়ালে পাচার করা হচ্ছিল।

মহেশখালীতে স্মরণকালের এই বৃহৎ দেড় লাখ পিস ইয়াবার ( ৩০০ টাকা দরে, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকা ) চালান ধরা পড়ার পরও এখনো ধরা ছোঁয়ার বাইরে আছে এই ইয়াবার চালানের মূল হোতা পিতা-পুত্র ও তার সিন্ডিকেট।

এলাবাসীর ভাষ্য মতে, এখনো তিনি পুলিশের কাছে গা ঢাকা দিয়ে আত্মগোপনে আছে ছোট মহেশখালীতেই। তাকে আসকারা এবং শেল্টার দিয়ে যাচ্ছে উপজেলা কেন্দ্রিক কিছু রাজনৈতিক নেতা। যার কারণে ইয়াবার ডিলার ওসমান মনে মনে আশা রাখছে মামলার আসামী হলেও আইনী ঝামেলা চুকিয়ে ফিরে আসবে তার পূর্বের ডেরায়।

কে এই ওসামন
বর্তমান ওসামন, মেম্বার ওসমান, ওরফে ইয়াবার ডিলার ওসমান। সে বর্তমানে মহেশখালী উপজেলার ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের মেম্বার। ওই ওয়ার্ডের বিএনপির মত রাজনৈতিক দলের সভাপতি, ইউনিয়নের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক এবং উপজেলা বিএনপির সদস্য। ৭নং ওয়ার্ডের দুই দুইবার নির্বাচিত ইউপি মেম্বার।

অতীতের ওসমান
এলাকাবাসী সূত্রে জানাযায়, ওসমানের বোনের জামাই সিরাজের পিতা মৃত মুত্তুল হোসেনের (ছোট মহেশখালী ডেইল পাড়া, বেলালর বর বাড়ী) সাথে ওসমানের পিতা মৃত মোজাহের মিয়া সাথে বার্মা কেন্দ্রিক আশির দশকের আগে ব্যবসা ছিল বার্মার বিভিন্ন পণ্য নিয়ে। সে সময়ের চালু পণ্য বার্মার রফিক বিড়ি, কামাল বিড়ি (পাতার বিড়ি) এবং সুপারির ব্যবসা ছিল। সেই সূত্রে আসা যাওয়ার মাঝে প্রথমে ওসমানের বোনের বিয়ে হয় ছোট মহেশখালী মৃত মোত্তুল হোসনের ছেলে সিরাজ মিয়ার সাথে। পরে বোনের বাড়ি আসা যাওয়ার সুবাধে ব্যবসা এবং নিরপাদ স্থান জোগাড় করতেই বিয়ে করে একই এলাকার মৃত আমির হোসেনের মেয়ে হালিমাকে ধূর্ত ইয়াবা ওসমান। তারপর থেকে আর ফিরে থাকাতে হয়নি ওসমানকে। বাগিয়ে নেন সবকিছু।

যেভাবে মেম্বার হন  
সে প্রথমে ২০১১ সালে চেয়ারম্যান সিরাজুল মোস্তফা (বাশি) পরিষদে প্রথম ইউপি মেম্বার হন ৭ নং ওয়ার্ডে। বর্তমানে ওসমান এনআইডি হিসেবে বাংলাদেশী। কিন্তু মেম্বার হওয়ার আগে তত্ববধায়ক সরকারের আমলে ভোটার হওয়ার সময় তার বিরুদ্ধে বার্মাইয়া বলে অভিযোগ উঠে। যার জন্য আদালত পর্যন্ত গড়ায়।
কিন্তু ওসমান অদৃশ শক্তি এবং টাকার জোরে সবকিছু মোকাবেলা করে আবারো ২০১৬ সালে চেয়ারম্যান জিহাদ বিন আলীর পরিষদে ৭ নং ওয়ার্ডের পুনরায় মেম্বার হন। ৭নং ওয়ার্ড ঘুরে বিভিন্ন মানুষের সাথে কথা বলে জানাযায়, ওসমানের খুব বেশী দৃশ্যমান ব্যবসা না থাকলেও ভোট আসলে তাকে টাকা জোগায় ভূতে এমন অবস্থা। ওই এলাকার প্রতিষ্ঠিত পরিবারের ছেলে নুরুল হুদাকে পর্যন্ত ওসমান বারবার পরাজিত করে টাকা ও খুটির জোরে।

ওসমানের ইয়াবা মুখোশ

প্রবাদ আছে চোরের ১০ দিন, গেরস্তের একদিন। ঠিক তাই হয়েছে ইয়াবা ডিলার ওসমানের। সে এতদিন মুখ ও মুখোশ লুকিয়ে ইয়াবা ব্যবাসার চালান দিত তা জনসম্মুখে প্রকাশ হয়ে গেছে।
এলাকাবাসীর দাবী
এলাকাবাসীর আশংকা। ইয়াবা ওসমানের এতই খুটির জোর শক্ত হয়তো আবারো ফিরে আসবে। এলাকা সহ সারাদেশে তার সিন্ডিকেট আবারো সক্রিয় হবে মরণ নেশা ইয়াবা দিয়ে ধ্বংস করবে সমাজ ও দেশ। যত দ্রুত তাকে গ্রেফতার করা হয় ততই মঙ্গল। তাই এলাকাবাসী চায় দ্রুত গ্রেফতার।

মহেশখালী থানার (ওসি তদন্ত) বাবুল আজাদ বলেন, “ এই ঘটনায় মামলা হয়েছে। সকল তথ্য আমাদের হাতে আছে, শুধু ওসমান নয়, সিন্ডিকেটের সকলকেই আইনের হাতে সোপর্দ করা হবে। বিশেষভাবে ওসমান এবং তার ছেলেকে ধরার চেষ্টা অব্যাহত আছে।

উল্লেখ্য, গত ৫ মে ছোট মহেশখালী ইউপি’র ৭নং ওয়ার্ডের মেম্বার ওসমানের বাড়ীতে ৪ মে রাতে অবস্থান নেন ইয়াবাচালান কারবারীরা। ৫ মে ভোরে ত্রাণের আড়ালে কাভার্ড ভ্যানে ইয়াবা নিয়ে পাচারের সময় লম্বা ঘোনা নামক স্থান থেকে ইয়াবাসহ দুই কারবারিকে প্রায় দেড় লক্ষ পিস ইয়াবাসহ আটক কওে পুলিশ।

যার আনুমানিক মূল্য সাড়ে ৪ কোটি। সেই থেকে ইয়াবার ডিলার ওসমান পলাতক।

ভয়েস/জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2020
Design & Developed by : JM IT SOLUTION