1. rajoirnews@gmail.com : ABDUL AZIZ : ABDUL AZIZ
  2. gopalganjbarta@gmail.com : ashik Rahman : ashik Rahman
  3. news.coxsbazarvoice@gmail.com : ABDUL AZIZ : ABDUL AZIZ
  4. jmitsolutionbd@gmail.com : jmmasud :
আনোয়ারা-পতেঙ্গা বেড়িবাঁধ সুরক্ষা প্রকল্প: আরও ২৫৭ কোটি টাকা একনেকে অনুমোদন - Coxsbazar Voice
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ১১:১২ অপরাহ্ন
দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
মনিটরিং না থাকায় রাইফেলের নামে সামরিক মানের অস্ত্র আমদানি পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) শুক্রবার, সকাল ৯টায় বের হবে জশনে জুলুশ বাকস্বাধীনতা আর অবমাননা কি সমান,খামেনেয়ীর প্রশ্ন ম্যাখোঁকে  ভাসানচর পাঠানো হতে পারে নভেম্বরে কিছু রোহিঙ্গা অতিদরিদ্র মৎস্যজীবী কমিউনিটি সদস্যদের অংশগ্রহণে কর্মশালা অনুষ্টিত বৌদ্ধ পল্লীতে উৎসবের আমেজ, শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা শুরু শুক্রবার উখিয়া ৪টি স্বর্ণের বারসহ এক পাচারকারী আটক মহেশখালীতে আরডিআরএস বাংলাদেশ কর্তৃক নগদ অর্থ বিতরণ নদী খনন হলেও সব কাজ দৃশ্যমান নয়: ‘শুভংকরের ফাঁকি’ মন্তব্য সংসদীয় কমিটির বিজয়ী জাতি হিসেবে বাংলাদেশ সারা বিশ্বে মাথা উঁচু করে চলবে-প্রধানমন্ত্রী

আনোয়ারা-পতেঙ্গা বেড়িবাঁধ সুরক্ষা প্রকল্প: আরও ২৫৭ কোটি টাকা একনেকে অনুমোদন

  • প্রকাশিত : রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২০, ৬.২৬ পিএম
  • ২৬ জন সংবাদটি পড়েছেন।

বশির আলমামুন:

চট্টগ্রামের আনোয়ারা-পতেঙ্গা উপক‚লীয় বাঁধ সুরক্ষা প্রকল্পের ব্যয় বেড়েছে আরও ২৫৭ কোটি টাকা। এর আগে এ প্রকল্পের বরাদ্ধ ছিল ৩২০ কোটি টাকা। বর্তমানে এর আকার বেড়ে দাঁড়াচ্ছে মোট ৫৭৭ কোটি টাকা। বিশাল বরাদ্ধের এ টাকায় টিকসই উন্নয়ন হলে আনোয়ারা,পতেঙ্গাসহ উপক‚লীয় বেড়িবাঁধ পুরোপুরি সুরক্ষা হবে এবং ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্চাস ও জোয়ারের প্রভাব থেকে উপকুল বাসী রক্ষা পাবে বলে জানিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ড। সংশোধিত প্রকল্পটি গত ৬ অক্টোবর একনেক সভায় অনুমোদনের পাওয়া গেছে। এখন কাজ শুরুর অপেক্ষায় রয়েছে পাউবো।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র জানায়, সংশোধিত প্রকল্পের আওতায় দুই দশমিক ১৫ কিলোমিটার স্থায়ী প্রতিরক্ষা ও ৫টি রেগুলেটর নির্মাণ করা হবে। চলমান প্রকল্পে ৬৪ দশমিক ৩২৯ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ মেরামত, উচ্চতা উন্নীতকরণ করা হবে। ১১ দশমিক ৬৫২ কিলোমিটার নদীর তীর ও সি ডাইক সংরক্ষণ করা হবে। সংশোধিত প্রকল্পে তা বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ১৩.৮০২ কি. মি। জোয়ারের পানির প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে যে ৩৫ টি রেগুলেটর মেরামত ও নির্মাণ করার কথা ছিল তা বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ৪০ টিতে। এ প্রকেেল্পর অধীনে ১৭.৬৯০ কিমি খাল পুনঃখনন করা হবে। পুরো প্রকল্পে ৬৭ হাজার গাছ রোপণ করা হবে।

উপকূলীয় এলাকার পোল্ডার নং ৬২ (পতেঙ্গা), পোল্ডার নং ৬৩/১এ আনোয়ারা ও পোল্ডার নং ৬৩/১বি (আনোয়ারা ও পটিয়া) বেড়িবাঁধ নির্মাণে ৩২০ কোটি ৩০ লাখ টাকার প্রকল্প চলমান রয়েছে। ২০১৬ সালের মে মাস থেকে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হচ্ছে। ঘন ঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো রক্ষনাবেক্ষন সংস্কার ও পুনর্বাসনে প্রকল্পটি নেয়া হয়েছে।

গত ১০ জুন পানি উন্নয়ন বোর্ডের পিইসি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার সুপারিশের ভিত্তিতে ডিপিপি পুনর্গঠন করা হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো রক্ষনাবেক্ষণ ও পুনর্বাসনের মাধ্যমে বন্যা ও জলোচ্ছ¡াস থেকে প্রকল্প এলাকাকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র জানায়, ১৯৬০ সালের দিকে উপক‚লীয় বাঁধ প্রকল্পের আওতায় পোল্ডার নং-৬২ (পতেঙ্গা) এবং পোল্ডার নং-৬৩/১এ (আনোয়ারা) বাস্তবায়িত হয়। এছাড়াও ১৯৯০ থেকে ১৯৯৪ সালেও বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হয়। ১৯৯১ সালের প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড়, ২০০৭ সালের সিডর, ২০০৯ সালের আইলা এবং পরবর্তী বিভিন্ন সময়ে সংঘঠিত ঘূর্ণিঝড়ে ব্যাপকভাবে ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়। ১৯৯২ থেকে ১৯৯৬ সালে বাঁধের সংস্কার করা হয়। তারপরও প্রতি বছর ঝড়, জলোচ্ছ¡াস ও জোয়ার-ভাটার কারণে প্রকল্পে ব্যাপক ক্ষতি হয়। সমুদ্রের ঢেউয়ের আঘাতে ক্ষত-বিক্ষত হয়ে যায় প্রকল্পটি। জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে আনোয়ারার উপক‚লীয় মানুষ।

এদিকে প্রকল্পের শুরু থেকে কাজের অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে এলাবাসী সেনাবাহিনীর তত্ত¡াবধানে বেড়িবাঁধের নির্মাণ কাজ করার দাবি জানিয়েছিলেন।এ অভিযোগে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করেছে এলাকার একাধিক সামাজিক প্রতিষ্ঠান। সা¤প্রতিক সময়েও এলাকাবাসী মানববন্ধন করেছেন। এসব প্রকল্পের কাজে বøক নির্মাণে শিলক বা বেতাগীর বালু ব্যবহারের নিয়ম রয়েছে। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে আনোয়ারা প্রকল্পে সাঙ্গু নদীর লবণমিশ্রিত বালু দিয়ে বøক বানানো হয়েছে। বাঁধ উচুকরণের ক্ষেত্রে ঢালের (¯েøাপ) ২০ থেকে ২৫ ফিট দূর থেকে মাটি কাটার কথা থাকলেও ১০ থেকে ১৫ ফিটের কম দূরত্ব থেকে মাটি কাটা হচ্ছে। যারফলে রায়পুর ইউনিয়নের পরুয়া পাড়া, গলা কাটার ঘাট, বার আউলিয়া ও ফকির হাট অংশে বাঁধ দেবে গেছে। এতে প্রকল্পের সুফল নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

রায়পুর ইউনিয়নের পরুয়া পাড়া, গলাকাটার ঘাট, বাইগ্গার ঘাট, বার আউলিয়া, ফকির হাট ও সরেঙ্গা এলাকা ঘুরে দেখা যায়, এসব এলাকার অধিকাংশ বেড়িবাঁধ দেবে গেছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, পানির উচ্চতা দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। পুরো এলাকায় বøক স্থাপন করা না হলে সুফল পাওয়া যাবে না। তাই কারিগরি কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে বেড়িবাঁধের পুরো অংশ এখন বøক বসানো হবে। ৩২০ কোটি টাকার বরাদ্দ সংশোধিত করে আরও ২৫৭ কোটি টাকা বাড়িয়ে এখন ৫৭৭ দশমিক ২৪ কোটি টাকা করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের পওর বিভাগ-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী তয়ন কুমার ত্রিপুরা বলেন, ‘চলমান প্রকল্পের আকার বাড়িয়ে সংশোধিত করা হয়েছে। না হলে প্রকল্পের যাচাই-বাছাই করে ডিপিপি তৈরি করতে দুই বছর সময়ক্ষেপণ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল।‘এখন প্রকল্পটি একনেক সভায় অনুমোদন পেয়েছে। অপেক্ষা কাজ শুরুর আগামী শুকনো মওসুমে কাজ শুর হবে। তিনি বলেন, সাগর তীরবর্তী ‘আনোয়ারা উপকূলীয় এলাকা রয়েছে ১৩ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ। সাঙ্গু নদীর মোহনা থেকে রায়পুর ইউনিয়নের পারকি পর্যন্ত ৮ কিলোমিটার অংশে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের কাজ চলছে। অবশিষ্ট অংশ আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংশোধিত প্রকল্পের আওতায় এখন পুরো উপক‚লীয় বেড়িবাঁধ সুরক্ষা করা হবে। এ কাজ দ্রæত বাস্তবায়িত হলে আনোয়ারায় আর উপক‚লীয় বেড়িবাঁধের জন্য দুর্ভোগ পোহাতে হবে না।’ কম সময়ের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।’

পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী অখিল কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘আমরা চাই টেকসই উন্নয়ন। চলমান প্রকল্পগুলোকে ঘিরে আগামীতে বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। চলমান প্রকল্পে নতুন সংযোজিত করে প্রকল্পের আকার বাড়ানো হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘দ্রæত সময়ে মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। ইতিমধ্যেই টেন্ডার প্রক্রিয়াও শেষ করা হয়েছে। একনেক সভায় অনুমোদন ও জিও অনুমতি পাওয়া গেছে। এখন কার্যাদেশ দেয়া হবে।’

ভয়েস/জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2020
Design & Developed by : JM IT SOLUTION